শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি’ : পটভূমি ও অন্যান্য

শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি‘ : পটভূমি ও অন্যান্য

মাহমুদুল করিম জিসান


১৯৫৮ সাল। অক্টোবরের মেঘমুক্ত আকাশ জুড়ে তারাভরা সন্ধ্যা নেমেছে। চট্টগ্রামের চন্দনপুরার বড় রাস্তা থেকে বেশ ভেতরের একটি বাড়ি থেকে ভেসে আসছে এসরাজের চমৎকার সুর- আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। আম জনতা তখনো এই গান শুনে বুঝতে পারবে না এটা কি গান। আর রবীন্দ্রসংগীত বোদ্ধার কাছে এটি আর দশটি গানের মতোই সাদামাটা। এই গান তার পূর্ণ মর্যাদা পাবে আরো তের বছর পর, ১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে।
এসরাজ যিনি বাজাচ্ছেন তাঁর নাম শেখ আজিজুর রহমান। আমরা অবশ্য এই নামে তাঁকে চিনি না। তাঁকে আমরা চিনি শওকত ওসমান নামে। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান।
শওকত ওসমানের মন ভালো নেই। দেশভাগের পর কেটে গেছে আরো ১১ টি বছর। পশ্চিমবঙ্গের নিজের শেকড় ছিঁড়ে তিনি স্থায়ীভাবে চলে এসেছেন চট্টগ্রামে। অধ্যাপনা শুরু করলেন চট্টগ্রাম সরকারি বাণিজ্য কলেজের বাংলা বিভাগে।
এই বছরই পাকিস্তানের রাজনীতিতে ঘটে গেল এক বিরাট পালাবদল। জরুরী অবস্থা জারি হল পাকিস্তানে। সেনা শাসক হিসেবে আবির্ভাব ঘটল জেনারেল আইয়ুব খানের। গোটা দেশ চলে গেল সেনাবাহিনীর হাতে। জনগণের কিছুই করার নেই। তারা কেবল এই সেনাদের ক্রীড়নক মাত্র! শওকত ওসমান ভাবেন, পাকিস্তান হলো, একটা রাষ্ট্র হয়ে গেল, লেখকরা সেটা বন্ধ করতে পারল না। তিনি নিজেকে অসহায় মনে করতে লাগলেন। দেশ চালাচ্ছে হেলমেট ওয়ালারা। মাথায় হেলমেট পরে কিছু লোক যেন জনগণের সমস্ত দায়-দায়িত্ব নিয়ে নিল! সংখ্যায় তারা কতজন? ১২ কোটি মানুষের দেশে ১২ লাখও তো হবে না। অথচ তারাই কিনা দেশ চালাচ্ছে!
মানুষের কথা বলা বন্ধ। কেউ কিছু বলতে পারেনা সরকারের বিরুদ্ধে। এদিকে আইয়ুব সরকার এমন ভান ধরে আছে যেন জনগণকে তারা স্বর্গে এনে রেখেছে। মানুষের মুখ বন্ধ করে তারা প্রমাণ করতে চায় জনগণ তো সুখেই আছে। কই তাদের তো কোনো অভিযোগ নেই!
ভেতরটা হাঁসফাঁস করতে থাকে শওকত ওসমানের। প্রথম প্রথম কয়েকদিন চলে যেতেন কাছাকাছি তাঁর বন্ধুর বাড়ি।  সেখানে গিয়ে বারান্দাতে একেবারে নির্বাক হয়ে বসে থাকতেন। কিছুই ভালো লাগত না তাঁর। যেন তাঁর সমস্ত দায়-দায়িত্ব, এমনকি তিনি কি চিন্তাভাবনা করবেন সেটার ভারও ঐ সামরিক সরকার নিয়ে নিয়েছে। ভেতরে ভেতরে একটা যন্ত্রণা তাঁকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। সেই যন্ত্রণা প্রকাশ করতেই ১৯৫৯ থেকে শুরু করলেন ‘ক্রীতদাসের হাসি’ লেখা।
এখন লিখলেই তো হয় না। আমাদের সমাজ এমন কখনোই ছিল না, যেখানে একজন লেখক মন খুলে স্বধীনভাবে তাঁর মত প্রকাশ করতে পারবেন। আর সেই মিলিটারি শাসনামলে তো তা আরও সম্ভব নয়। কী করা যায় তাহলে? কীভাবে শওকত ওসমান উগড়ে দেবেন তাঁর যন্ত্রণা?
দুটো বুদ্ধি তাঁর মাথায় খেলে গেল। প্রথমত ব্যপারটা যদি প্রতীকী হয়, তাহলে লোকে সহজে ধরতে পারবেনা যে, আইয়ুব খাঁ কে কেন্দ্র করে এটি লেখা হয়েছে। দ্বিতীয়ত তখন আবার পাকিস্তানি জোশে চারিদিকে ইসলামী সাহিত্যের চর্চা চলছে। বাংলায় ইসলামী সাহিত্যের দিকে অনেকেই ঝুঁকে পড়েছেন। মূল উদ্দেশ্য অবশ্য ইসলামপ্রীতি নয়। সুবিধা ও পয়সা বাগানো! কাজেই শওকত ওসমান ভাবলেন এতে যদি একটু আরবীয় ফ্লেভার যোগ করা যায়, যেমন, মরুভূমি, মরুদ্যান, খেজুর বাগান এসব তাহলে মানুষ অত্যন্ত আগ্রহসহকারে নেবে ব্যপারটিকে। কাজেই তিনি এর পটভূমি দিলেন আব্বাসীয় খলিফাদের শাসনকাল, লিখলেন প্রচুর আরবী-ফার্সি শব্দে বোঝাই করে। অবশ্য অন্য কারও পক্ষে এতটা আরবী-ফার্সি শব্দের কারুকাজ করা সম্ভব হতো কিনা বলা যায় না। মানুষটা শওকত ওসমান বলেই সেটা সম্ভব হয়েছে। বিপুল তাঁর আরবী শব্দ ভান্ডার। কলকাতার মাদ্রাসা আলিয়ার ছাত্র ছিলেন তিনি। ম্যাট্রিক পরীক্ষায় তাঁর দ্বিতীয় ভাষা ছিল আরবী। এই বিষয়ে তিনি ভালো নাম্বার পান এবং প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। আর ‘ক্রীতদাসদের হাসি’ লেখার সময় আরবি রেফারেন্স দিয়ে শওকত ওসমানকে সাহায্য করেছিলেন তাঁর বন্ধু মওলানা জালালুদ্দিন। পরবর্তীকালে চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেলকে তিনি অনেকটা ব্যাঙ্গ করেই  এই প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “নে ব্যাটারা, ইসলামী সাহিত্য চেয়েছিলি, তোদেরকে ইসলামি সাহিত্যই দিলাম।”
তবে এই উপন্যাসের ভাগ্যে যে কি আছে তা নিয়ে তিনি নিজেই কিঞ্চিত সংশয়ে ছিলেন। ‘ক্রীতদাসের হাসি’র ভূমিকায় তিনি লিখেছেন-
“জুয়াড়ির মতো আমি দান ধরেছিলাম। হয় জয় অথবা সর্বনাশ সুনিশ্চিত। জিতে গিয়েছিলাম শাসক শ্রেণীর মূর্খতার জন্য।”
শাসক শ্রেণী যে মূর্খ এ ব্যপারে সন্দেহ নেই। তবে শওকত ওসমান যেভাবে তাঁদের চোখে ধূলো দিয়েছিলেন সেটার তারিফ অবশ্যই করতে হয়। একে তো প্রচুর আরবী শব্দের ব্যাঞ্জনে তৈরী হল উপন্যাসটি, তার উপর শুরুতেই ফাঁদলেন এক গপ্পো! এই উপন্যাসটি নাকি আসলে ‘আরব্য রজনীর’ একটি হারানো পান্ডুলিপির অনুবাদ! দৈবচক্রে এক বান্ধবীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর দাদার কাছ থেকে উদ্ধার করে এটিকে অনুবাদ করেন তিনি। ব্যাস্, মানুষ সত্যি সত্যিই বিশ্বাস করে নিল যে এটি একটি অনুবাদ সাহিত্য। শতকত ওসমানকে নিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ তৈরী করতে গিয়ে তাঁর জৈষ্ঠ্যপুত্র অধ্যাপক বুলবন ওসমান একটি প্রবন্ধ পেয়েছিলেন যার মূল বক্তব্য ছিল অনেকটা এমন যে, তিনি এ যুগে এসে একটা বিরাট আবিষ্কার করেছেন- সেটা হচ্ছে আরব্য রজনীর পান্ডুলিপি। এই আবিষ্কারের জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
তো আগেই বলেছলিলাম, উপন্যাস লেখা শুরু হল ১৯৫৯ সালে। দুই পাবলিশারকে ঠেলাঠেলি করতে করতে কিছু সময় চলে গেল। একজন বললেন, খলিফা হারুন অর রশীদকে নিয়ে করা হয়েছে, একটু এদিক ওদিক করুন (বেচারা প্রকাশক আসল জিনিসটা ধরতে পারেননি। তিনি যদি জানতেন হারুন আর রশীদ নয়, যাঁকে নিয়ে এটি লেখা হয়েছে তিনি স্বয়ং প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খা,  তাহলে যা’ই করে দেয়া হোক না কেন, তিনি সেটা ছাপতেন কি!), এবং এই বলে তিন-চার মাস  ম্যানাস্ক্রিপ্ট নিয়ে রেখে দিলেন। আরেক পাবলিশারও ঐ একই কান্ড করলেন। তারপর আবদুল বারী ওয়ার্সি বলে একজন, ঢাকার নিউমার্কেটে তাঁর অভিজাত প্রকাশনী ও বইয়ের দোকান ছিল, নাম ওয়ার্সি বুক সেন্টার, তিনি পান্ডুলিপি পড়ে বললেন, ভাই আমি ছাপব। আপনার সঙ্গে কন্ডিশন কী? শওকত ওসমান বললেন, কোনো কন্ডিশন নেই ভাই।
এই করে করে ১৯৬২ সালে উপন্যাস আকারে বের হলো ‘ক্রীতদাসের হাসি’। শওকত ওসমান তখন চট্টগ্রাম থেকে চলে এসেছেন ঢাকায়। যোগ দিয়েছেন ঢাকা কলেজে। থাকেন ৭/এ মোমেনবাগের নিজের বাড়িতে। সেই বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। একদিন ওয়ার্সি সাহেবকে তিনি তাঁর ঘরটা ইলেক্ট্রিফায়েড করে দিতে বললেন। ওয়ার্সি সাহেব তাঁর ঘরটিকে ইলেক্ট্রিফায়েড করে দিলেন। নয়’শ চুরাশি টাকা খরচ হয়েছিল এতে। সেই ‘৬১ সালের প্রেক্ষিতে বিশাল খরচই বলা চলে। ‘ক্রীতদাসের হাসি’ কেবল শওকত ওসমান কে জনপ্রিয়ই করে নি, হারিকেন যুগের অবসান ঘটিয়ে তিনি ও তাঁর পরিবারকে বৈদ্যুতিক যুগে পৌঁছে দিয়েছে এই উপন্যাসটি।
এখন বই তো বের হলো, এরপর কী হবে? ঔপন্যাসিক রশীদ করীম এদিকে আবার কানাঘুষা শুনতে পাচ্ছিলেন যে, মুসলমানদের হেনস্তা করার দায়ে ‘ক্রীতদাসের হাসি’ নাকি বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে! মানে গোটা বিষয়টা তখন দাঁড়াচ্ছে এই- লেখক যে প্রতীকী অর্থে একটা জিনিস দাঁড় করেছেন তার ধার ঘেঁষা তো দূর অস্ত, মানুষ তখন পড়ে আছে তাদের মুসলমানিত্ব ঠিকঠাক জাহির করা যাচ্ছে কিনা তা নিয়ে! কিন্তু দেখা গেল উপন্যাসটি বাজেয়াপ্ত তো হয়ইনি, উল্টো তখনকার কেন্দ্রীয় পাকিস্তান সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে বিচারক মন্ডলী সেই বছরই (১৯৬২) ‘ক্রীতদাসের হাসি’কে আদমজী পুরষ্কার দিলেন!
অবশেষে শওকত ওসমান আদমজী পুরষ্কার পাচ্ছেন তাহলে! অবশেষে বলছি এই কারণে যে, এর আগের বছরই শওকত ওসমান তাঁর ‘জননী’ উপন্যাসের জন্য আদমজী পুরষ্কার পাবেন এমনটা ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু দেখা গেল যে পুরষ্কার প্রাপ্তদের মধ্যে ‘জননী’র নাম নেই। পরে শোনা গেল ‘জননী’ বইটি পুরষ্কারে Entry করতে প্রকাশকরা ভুলে গিয়েছিল। অথচ যে উপন্যাসটি নিয়ে এত শংকা, এত সতর্কতা, তা’ই কিনা এখন পাচ্ছে আদমজী পুরষ্কার! স্বয়ং প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান নিজ হাতে পুরষ্কার দেবেন, যদিও ব্যপারটা হাস্যকর, কারণ যাঁকে নিয়ে এই প্রতীকী লেখা তিনিই (না বুঝে) এর জন্য পুরষ্কার দেবেন, তারপরও প্রেসিডেন্ট এওয়ার্ড বলে কথা! যেনতেন ভাবে কি আর সেখানে যাওয়া যায়? কলকাতায় শওকত ওসমান যখন তীব্র অর্থকষ্টে ছিলেন তখনও তাঁর পোশাক ছিল ফিটফাট। পরিবারের এতগুলো মানুষ, টানাটানির মধ্যে  অতিরিক্ত খরচ শোভনীয় নয়। তবুও তৎকালীন জিন্নাহ অ্যাভিনিউ’র ডোরিনা টেইলারিং শপ থেকে স্যুট তৈরী হল। সেই স্যুট পরে তিনি গেলেন পুরষ্কার আনতে।
পুরষ্কার পেলেন, সাথে ছিল নগদ পাঁচ হাজার টাকা। তাঁর ভাষ্যমতে সেই আমলে একসঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা মানে ‘ভয়ানক’ টাকা! সেই টাকায় ঘরে ছোট একটি রুম করা হল। শওকত ওসমান চিরকালই সরস্বতীর বরপুত্র, দু’হাত ভরে লিখেছেন। এত লিখতেন যে তাঁর হাতের নার্ভে অসুবিধা হয়ে গেছিল। তবে লক্ষ্মীদেবী তাঁকে কেন জানি এড়িয়ে চলতেন। অর্থসংকট সেই ছাত্রাবস্থা থেকে যে তাঁর পিছু নিয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধোত্তর পর্বেও তা তাঁর পিছু ছাড়েনি। প্রথমদিকে কবিতা লিখে তিনি পাঁচ টাকা পেতেন। ১৯৪৬ এ ‘আজাদ’ এর ঈদসংখ্যায় প্রথম উপন্যাস ‘বনী আদম’ প্রকাশের পর অপ্রত্যাশিত ভাবে পঞ্চাশ টাকার বদলে আড়াই’শ টাকা সম্মানী পান। আরো পরে ‘পতঙ্গ পিঞ্জর’ উপন্যাস প্রকাশের ব্যপারে অন্নদাশঙ্কর রায়ের চিঠি নিয়ে কলকাতার ডি.এম. লাইব্রেরিতে গেলে সেখানে তাঁকে বসতে দেয়ার সৌজন্যতাও দেখায় নি তারা!
পুরষ্কার দেয়ার ছয় মাস পর সরকারের টনক নড়ল- আরে এটা তো দেখি অর্ডিনারী বই না! এতে তো সরকারের মুন্ডুপাত করা হয়েছে! কলকাতা থেকে এই বইয়ের যে সংস্করণ বেরিয়েছিল তাতে তিনি লিখেছিলেন যে, সাত কোটি বাঙালির হয়ে আমি এই শাসকগোষ্ঠীর মুখে থুথু দিলাম। কী সাংঘাতিক ব্যপার! যে আদমজী পুরষ্কারের চল শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের লেখকগোষ্ঠীকে অর্থ দিয়ে প্রলুব্ধ করে আইয়ুব খাঁ’র দলে টানার জন্য, সে পুরষ্কার গেল কিনা এমন এক লেখার জন্য যা কিনা লেখা হয়েছে আইয়ুব খাঁ’র বিরুদ্ধে! (এর পরের বছর শামসুর রাহমান তাঁর ‘রৌদ্র করোটিতে’ কাব্যগ্রন্থের জন্য আদমজী পুরষ্কার পান। সেখানে একটি কবিতা আছে নাম ‘হাতির শুঁড়’। আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে প্রতীকী একটি কবিতা। কবিতাটি সেই সময় লেখা যখন শওকত ওসমান ‘ক্রীতদাসের হাসি’ লিখছিলেন। তিনি কবিতাটি পড়েন এবং গোটা ব্যপারটি  ঠিকই ধরতে পেরেছিলেন।) এখন যে বই আইয়ুব খান নিজের হাতে পুরষ্কার দিয়েছেন, যে বইকে ‘বেস্ট বুক অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা দেয়া হয়েছে, সেই ‘ক্রীতদাসের হাসি’ নিষিদ্ধ করলে তো বিরাট ‘স্ক্যান্ডাল’ হয়ে যাবে। ফলে আর কিছুই হলনা বইটির। জুয়াড়ির দানে জিতে গিয়েছিলেন শওকত ওসমান। নিজেকে বলেছিলেন ‘কপাইল্যা লোক’!
তথ্যসূত্রঃ
১.শওকত ওসমান জন্মশতবর্ষ স্মারকগ্রন্থ- সম্পাদকঃ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলা একাডেমি
২. শওকত ওসমান- শান্তনু কায়সার, বাংলা একাডেমি
৩. শওকত ওসমান- আহমদ মাওলা, গদ্যপদ্য
৪. প্রবন্ধ সমগ্র- রশীদ করীম, সাহিত্য প্রকাশ
৫. কালের ধূলোয় লেখা- শামসুর রাহমান, অন্যপ্রকাশ
৬. উপন্যাস সমগ্র ১ম খন্ড- শওকত ওসমান, সময়